ESTD: 2017, Khakchail, Brahmanbaria Sadar, Brahmanbaria

EIIN: 138659

***এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুলে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে শিশু থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে সরাসরি . শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। আগামী ০১/১২/২০২৪ খ্রিঃ থেকে ৩১/১২/২০২৪ খ্রিঃ পর্যন্ত ভর্তি ফরম অফিস চালাকালীন সময় (সকাল ১০:০০ থেকে বিকেল ৪:০০ পর্যন্ত) ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুল থেকে বিতরণ করা হবে।**
*** FMF মেধাবৃত্তি নোটিশ : এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুলে প্রতি বছরের ন্যায় FMF মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উক্ত পরীক্ষায় ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত প্রাথমিক বিদ্যালয়/এবতেদায়ি মাদ্রাসা বা সমমানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রথম ১০ (দশ) জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের ১ (এক) বছর মাসিক ৫০০ (পাচঁশত) টাকা হারে বৃত্তি এবং বিনা বেতনে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুলে অধ্যায়নের সুযোগ। তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সুযোগ প্রাপ্তির জন্য অত্র বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে কেউ অত্র বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ব্যর্থ হলে, আসন শূণ্য থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে অপেক্ষামান তালিকা হতে ভর্তির সুযোগ পাবে। মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা উত্তীর্ণ (নূন্যতম ৪০%) নম্বর পবে তাদেরকে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০০ নম্বরের (বিস্তারিত সিলেবাসে উল্লিখিত)। উক্ত মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য স্ব স্ব অধ্যয়নরত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হতে ফরম সংগ্রহ করতে পারবে অথবা সরাসরি ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুলে হতেও ফরম সংগ্রহ করতে পারবে। পরীক্ষার ফি : মেধাবৃত্তির ফরমের মূল্য ২০ টাকাসহ মোট ১৫০ টাকা। আবেদনের শেষ সময় : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. রোজ: সোমবার। পরীক্ষার সময় : ২৭ই ডিসেম্বর-২০২৫ খ্রি. রোজ- শনিবার, সকাল ১০:০০ ঘটিকায়। ফলাফল প্রকাশ : ২৭ই ডিসেম্বর-২০২৫ খ্রি. রোজ- শনিবার, রাত ১০:০০-১১:০০ ঘটিকায়। পরীক্ষার কেন্দ্র : ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুল, খাকচাইল, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মেধাবৃত্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য ও ফলাফল পাওয়া যাবে বিদ্যালয়ে ওয়েবসাইটে এবং ফেইসবুক পেইজে। **

ভর্তি

ভর্তি প্রক্রিয়া

বর্তমানে ২৮ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়টি। রোভার স্কাউট, বিজ্ঞান ক্লাব, গণিত ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, আবৃত্তি দল, সঙ্গীত দল, কম্পিউটার ক্লাব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমের পাশাপাশি অন্যান্য সহপাঠ কার্যক্রম চালু আছে এ বিদ্যালয়ে।
বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে  সূফি মওলানা আতাউর রহমান ভবন ও ডা. তানিয়া-সামদানি ভবন নামে দুইটি ৩ তলা বিশিষ্ট মূলভবন। 

বিদ্যালয়ে উত্তর পাশে রয়েছে শিশুদের জন্য রাইড সমৃদ্ধ বিনোদন ব্যবস্থা, যেখানে বিরতীর সময় শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিনোদন উপভোগ করে থাকে। এছাড়াও রয়েছে অভিভাবকদের জন্য রয়েছে মনোরম পরিবেশে বসার ব্যবস্থা। এর পাশেই  রয়েছে স্বচ্ছ পানির সুপরিসর পুকুর। পুকুর ও ক্যাম্পাস জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার প্রায় ২০০ টি ফলজ-বনজ গাছগাছালি।  সবকিছুর সমন্বয়ে ক্যাম্পাসটি সেজেছে অপরূপ রূপে, যা মন কেড়ে নেয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দর্শনার্থীদের।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ‘প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব এ, কে, এম, মাহাবুব আলম।

পাঠদান কার্যক্রমে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী মানব সম্পদ তৈরী করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ক্রীড়া, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষামূলক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা আজ সুনামের সাথে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রয়েছে। 

যথাযথ জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের সারথি হয়ে বিশ্বমানের মানব সম্পদ গঠনে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুলটি এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

প্রয়োজনীয়তা

  • প্রতিটি ক্লাস ও সেকশনে সীমিত সংখ্যক (সর্বোচ্চ ৪০ জন) শিক্ষার্থী নিয়ে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর জন্য মান
  • সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
  • প্রতিদিনের পড়া Class Dairy তে লিখে দেওয়া।
  • সৃজনশীল, অভিজ্ঞতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে পাঠদান।
  • দক্ষ, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষকমন্ডলীর সাহায্যে শিক্ষা প্রদান।
  • সুপরিসর ক্যাম্পাস, খেলার মাঠ, আধুনিক, মানসম্মত ও নিরাপদ বহুতল বিদ্যালয় ভবন।
  • অভিজ্ঞ ও কর্মতৎপর প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান।
  • ধারাবাহিক মূল্যায়ন, শ্রেণি অভিক্ষা ও শিখন ভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই।
  • ইংরেজী, গণিত, বিজ্ঞান, আইসিটি ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
  • জাতীয় দিবসগুলোতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করা।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা দূরীকরণে অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ।
  • দুর্বল ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবহার করা।
  • প্রতিদিনের ক্লাসের পড়া ক্লাসেই complete করে দেওয়া।
  • প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সুস্থ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অনুশীলন এবং বার্ষিক শিক্ষা সফরের আয়োজন
    করা।
  • ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য স্কুল আঙ্গিনায় আকর্ষণীয় খেলাধুলার সু-ব্যবস্থা।
  • এফএমএফ ডিজিটাল ট্রেনিং সেন্টারে নবম থেকে দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ রয়েছে।
  • নিয়মিত বিষয়ভিক্তিক পাঠদানের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত সংগীত, চিত্রাঙ্কণ, আবৃত্তি ও বিতর্ক
    ক্লাসের ব্যবস্থা।

অনলাইন আবেদন

প্রশ্ন ও উত্তর

বর্তমানে ৮৩ জন শিক্ষক ও ৬১ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, বিজ্ঞান ক্লাব, গণিত ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, আবৃত্তি দল, সঙ্গীত দল, রেডক্রিসেন্ট ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমের পাশাপাশি অন্যান্য সহপাঠ কার্যক্রম চালু আছে এ কলেজে।
ছাত্রদের আবাসনের জন্য রয়েছে ৪ তলা বিশিষ্ট হযরত মাওলানা তাজুল ইসলাম (র:) ছাত্রাবাস। এতে আসন সংখ্যা ১১২। ছাত্রীদের আবাসনের জন্য রয়েছে ২টি ছাত্রীনিবাস যেখানে আসন সংখ্যা প্রায় ৩০০। কলেজ ক্যাম্পাসে রয়েছে একটি ৩ তলা বিশিষ্ট মূলভবন, ৫ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ৫ তলাবিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, ৩ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ৪ তলা বিশিষ্ট শহীদ লুৎফুর রহমান বিজ্ঞান ভবন, সুপরিসর লেকচার থিয়েটার, ২ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন (পুরাতন অর্থনীতি ভবন) ও ২ তলা বিশিষ্ট প্রণিবিজ্ঞান ভবন।

কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে রয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত সুরম্য ১০ তলা ভবন, ফুলের বাগান, নান্দনিক মাঠ, স্বচ্ছ পানির পুকুর। সবকিছুর সমন্বয়ে ক্যাম্পাসটি সেজেছে অপরূপ রূপে, যা মন কেড়ে নেয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দর্শনার্থীদের।

বর্তমানে কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রফেসর আবু জাফর মোহাম্মদ আরিফ হোসেন।

পাঠদান কার্যক্রমে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী মানব সম্পদ তৈরী করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ক্রীড়া, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষামূলক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা আজ সুনামের সাথে দেশ-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত।

যথাযথ জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের সারথি হয়ে বিশ্বমানের মানব সম্পদ গঠনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।