ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের গড়া অনবদ্য একক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুল (এফএমএফএস)। প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা হিসেবে আমরা এই মূল্যবোধে অঙ্গীকারাবদ্ধ যে- প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হলো শিক্ষা। বৃহৎ অর্থে বলতে গেলে রাষ্ট্রের সফল উন্নয়নের মাধ্যম এই শিক্ষা। এজন্যই পৃথিবীর প্রত্যেক ব্যক্তির ‘মানসম্মত শিক্ষা’ গ্রহণ জরুরি। শিক্ষা যেমন শিশুদের সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করে, তেমনি তাদের সৃজনশীল জীবনদানের পাশাপাশি জ্ঞানও বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং মানসম্মত শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো অজুহাত থাকা উচিত নয়। প্রত্যেক ব্যক্তিরই শিক্ষাগ্রহণ অবশ্যম্ভাবী এবং এই বাস্তবতা সর্বদাই অপরিবর্তনীয়।
গুণগত শিক্ষার এ প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্ধি করেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০১৭ খ্রি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে ৮ কি.মি দূরে খাকচাইল গ্রামে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির সম্মানিত ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সামদানী ফকির। যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। ইংরেজি, গণিতে ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাংলা মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান; যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যμমকেও মূল পাঠ্যর অংশ হিসেবে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে যাতে করে একজন শিক্ষার্থী নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সু নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা, নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদেরকে সামাজিকভাবে
দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
গুণগত শিক্ষার এ প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্ধি করেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০১৭ খ্রি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে ৮ কি.মি দূরে খাকচাইল গ্রামে ফকির মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির সম্মানিত ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সামদানী ফকির। যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। ইংরেজি, গণিতে ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাংলা মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান; যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যμমকেও মূল পাঠ্যর অংশ হিসেবে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে যাতে করে একজন শিক্ষার্থী নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সু নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।